মোটামুটি ভালোই বলা চলে। সায়েন্স ফিকশনের চেয়ে ফ্যান্টাসিই বেশি মনে হয়েছে। তবে গতিশীল লেখা, প্রতিটি ঘটনা বেশ দ্রুত ঘটে চলছিলো। রোলারকোস্টারে রাইডের অনুভূতি হয়েছে পড়ার সময়। বর্ননাভঙ্গি বেশ সাবলীল।
একটা তথ্যগত ভুল চোখে পড়েছে। শঙ্কুর চিঠিতে টাফা গ্রহটিকে একবার বলা হয়েছে আমাদের মিল্কিওয়ে থেকে পাঁচশ কোটি আলোকবর্ষ দূরে ভিন্ন একটি গ্যালাক্সিতে অবস্থিত। তার পরের প্যারাতেই বলা হয়েছে, সেই গ্রহটি আমাদের নিকটতম নক্ষত্র আলফা সেন্টুরিকে কেন্দ্র করে ঘুরছে।
সব মিলিয়ে কিশোরদের উপযোগী গল্পের মতো লেগেছে। হয়তো এই লেখাটাই হাইস্কুলে থাকাকালীন সময়ে পড়লে দুর্দান্তই মনে হতো।
যাই হোক, সাইফাই লাভাররা পড়ে দেখতে পারেন। আমাদের দেশীয় সায়েন্স ফিকশনের স্ট্যান্ডার্ডের সাথে তুলনা করলে ভালোই বলা চলে। লেখকের জন্যে শুভকামনা রইল।
সত্যজিৎ রায়ের প্রোফসর শঙ্কুকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে এখানে। মূলত গল্পে প্রফেসর শঙ্কু সরাসরি নেই। শঙ্কুর ডায়েরী, শঙ্কুর আবিষ্কার, শঙ্কু বেঁচে আছেন, ভিন গ্রহে বন্দি থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করতে সাহায্য করছেন। গল্পের নায়ক শঙ্কুর মতোই এক বুড়ো বিজ্ঞানী ড. জামিল। এক ভয়ঙ্কর চক্রের হাত থেকে পৃথিবীকে বাঁচায়।
গল্পে ব্যবহৃত অদ্ভুত অদ্ভুত যন্ত্রপাতি ও উদ্ভাবন করা জিনিসপাতি দারুণ কৌতূহলের সৃষ্টি করে। যেমন ভারী বক্সকে কম ভারী করতে এন্টি গ্রেভিটি সিস্টেম ব্যবহার। কোনো কিছুকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে 'নিশ্চিহ্নাস্ত্র', এক মুহূর্তে কাওকে সুস্থ করে ফেলতে বিশেষ ট্যাবলেট। বস্তুকে বিশ্লেষণ করতে এটমিক এনালাইজার আরও কত কত অদ্ভুত কিন্তু দারুণ মজার যন্ত্রের দেখা পাওয়া যায় এখানে।