'কবিতা কী গল্প নয়? আমার কাছে সকলই গল্প। কিন্তু গল্প বলার ধরণগুলো কেবল আলাদা। আলাদা বলেই আমি ছ’ পৃষ্ঠার একটা গল্পে যা বলি, কখনো কখনো তা হয়তো এমন দুই লাইনেই বলে ফেলতে পেরেছি বলে মনে হয়- ‘কোথায় যাবে তোমার মানুষ রেখে? মানুষ কেন হারিয়ে গেলে, মানুষ পাওয়া শেখে?’
কিংবা ‘শোনো, কাজল চোখের মেয়ে, আমার দিবস কাটে, বিবশ হয়ে তোমার চোখে চেয়ে’।
কিংবা,
ততটুকু দিও, যার পরে আর, কিছু চাইবার, বাকী না থাকে! ততটুকু নিও, যার পরে আর, পিছু চাইবার, ফাঁকি না থাকে!
- যেতে হলে, এখুনি যাও, পরে গেলে মায়া বেড়ে যাবে, থেকে গেলে, এখুনি থাকো, বেলাশেষে ছায়া বেড়ে যাবে। - আমি যা লুকিয়ে রাখি, গভীর, গোপন, তার সবটুকুই তোমার আপন। - মেঘের মতো ভার হয়ে রয় বুক, মেঘের মতো থমথমে কী ব্যথা! মেঘ তো তবু বৃষ্টি হয়ে ঝরে, আমার কেবল জমছে আকুলতা। - ততটুকু হোক দেনা, যতটুকু হলে, ফিরে আসবার পথটুকু থাকে চেনা।
‘কাজল চোখের মেয়ে’ বুকের ভেতর পাখির ভেজা পালকের স্পর্শে তিরতির বয়ে যাওয়া অজস্র অনুভূতির নদী ছুঁয়ে দেয়ার গল্প, চাইলে তাকে আপনি কবিতা বলতে পারেন, নাও পারেন। কিন্তু স্পর্শ বলবেন, স্পর্শিত হবেন, তা নিশ্চিত।
Sadat Hossain (born 29 June 1984) is a Bangladeshi author, screenwriter, film-maker, and novelist. Sadat Hossain was born In Madaripur, Dhaka, Bangladesh. He studied anthropology at Jahangirnagar University. He was a photojournalist in a newspaper. Then the editor told him that he should write the story of those photos. Eventually, with these, he published his first book in 2013 named Golpochobi. Then, he started to write short stories. In 2014 Janalar Opashe published. In 2015 Aarshinagor is the first book when people recognize him in 2015.[4] Besides writing he has interest in filmmaking as well. He has a production house named ‘ASH’ Production house, released a number of visual contents like short films, dramas, music videos, documentaries, etc.
মোটামুটি ছিল। কিছু কিছু লাইন ভালো লেগেছে। তবে এটা ছেলেরা কিনে পড়বে ,তাতেই ভালো। মেয়েরা তো আর বলবে না, "শোনো, কাজল চোখের মেয়ে,আমার দিবস কাটে, বিবশ হয়ে তোমার চোখে চেয়ে"
রেটিং এতো কম দেবার কারণ হলো,এই বইটা কিনে একটা বড়সড় ধোকা খেয়েছে। ইহা যে একটি কবিতার বই সে সম্পর্কে আমার বিন্দু মাত্র ধারণা ছিলনা। আর জেনেবুঝে এই লেখকের কবিতার বই কখনোই হয়তো কিনতাম না। কারণ উনার কবিতা গুলো ফেসবুকেই অহরহ পাওয়া যায়। শখ করে বই কেনার দরকার দেখিনা!
প্রথমটায় বলি,এই বইটি আমার পড়া লেখকের প্রথম বই। প্রথমে অনেকের মতো আমিও ভুল করি বইটাকে,উপন্যাস সমৃদ্ধ ভেবে।দোকানে গিয়ে হাতে নিয়ে দেখি,কবিতার বই।তাও আবার এতো সুন্দর লাইনে ভরাট।তাই কিনে ফেললাম। পড়ার সময় বেশ উপভোগ করেছি।মূলত তিনটি পার্ট ছিল।যথা-কাজল চোখের মেয়ে,জলের আয়না,(অ)রাজনৈতিক।সাদাত হোসাইনের প্রত্যেকটা লেখাই দারুণ ছিল।যেমন-
🌼"তোমার একটা নাম থাকুক আমার দেয়া, মেঘের মেয়ে, নদী কিংবা জলজ খেয়া, আমার দেয়া একখানা নাম তোমার থাকুক, না হয় আমি হারিয়ে গেলেও, একলা একা সন্ধ্যা তারা, সেই নামেই তোমায় ডাকুক।"
🌼"ভুলে গেলে ভালো থাকা যায়, জানি, তবু চাই,কিছু ব্যাথা ফিরে আসুক, কেউ কেউ হয়ে থাক,দুরারোগ্য অসুখ!"
🌼"নদী যদি হতে জানে গভীর আরো, আমিও নাবিক হবো, মানি। কাজলের চোখ যদি হয় গাঢ়, ডুবে যেতে আমিও জানি"
এমন লাইনে ভরা বইটি। যতোই লিখবো,ততই কম পড়বে।আর রইল লেখনীশৈলীর কথা,এককথায় অসাধারণ। অনেকদিন পর সুন্দর কবিতা পড়ার ক্ষুধা মিটল।রেটিং করতে বললে ৫ এ ৪.৫ চোখ বন্ধ করে দিতে পারি।
বইয়ের নাম - বইয়ের নামটি আমার খুব পছন্দ হয়েছে। আর কবিতাগুলির সঙ্গে বইয়ের নাম অনেকাংশে মিলেছে।
প্রচ্ছদ: বইয়ের নামের সঙ্গে বইয়ের কবিতার সঙ্গে প্রচ্ছদটি খুব মানিয়েছে।
আরও জানতে বইটা পড়তে হবে। সকলের সুস্থতা কামনা করি,ধন্যবাদ🙏।
'কাজল চোখের মেয়ে' বুকের ভেতর পাখির ভেজা পালকের স্পর্শে তিরতির বয়ে যাওয়া অজস্র অনুভূতির নদী ছুঁয়ে দেয়ার গল্প, চাইলে তাকে অাপনি কবিতা বলতে পারেন, নাও পারেন। কিন্তু স্পর্শ বলবেন, স্পর্শিত হবেন, তা নিশ্চিত।
"পড়ি আর বুকবাক্স প্রেয় শিরশির বয়। এক কথায় বলা যায়, ভালবাসার সংজ্ঞা জানতে চাইলে, "কাজল চোখের মেয়ে" বইটা পড়া উচিত। একটা কথা বুজতে কষ্ট হয়, কবি কিভাবে মানুষের ভিতরটা অনুশীলন করেন? অসংখ্যক ধন্যবাদ সাদাত হোসাইন স্যার।
Never would've finished reading if not for the fact that I spent money on this book (bought this 4/5 yrs ago when I used to buy books just seeing others reading them and didn’t bother to do a little background check or even read the summary on the flapcover🤦♀️).
মূলত,যখন বইটি বের হয়েছে তখন বইমেলা হতে তা সংগ্রহ করার জন্য যাই। এর আগে লেখকের আরশিনগর,অন্দরমহল,নিঃসঙ্গ নক্ষত্র পড়া হয়েছিলো।তাই নাম দেখে ভেবেছিলাম এটাও উপন্যাস।কিন্তু,বই হাতে নিয়ে দেখি তা কাব্যগ্রন্থ। কাব্যগ্রন্থ হলেও সাদাত হোসাইনের কবিতাগুলো বর্তমান সময়ের সাথে মানে আমাদের আশপাশের বিষয় আর আমাদের মনের কথাগুলোই যেনো।তার প্রতিটা কবিতা ছিলো অসাধারণ পঙক্তিতে ভরপুর।যারা কবিতা পছন্দ করেন,তারা বইটি পড়ে দেখতে পারেন।
"তোমার একটা নাম থাকুক আমার দেয়া, মেঘের মেয়ে, নদী কিংবা জলজ খেয়া, আমার দেয়া একখানা নাম তোমার থাকুক, না হয় আমি হারিয়ে গেলেও, একলা একা সন্ধ্যা তারা, সেই নামেই তোমায় ডাকুক।"
"ভুলে গেলে ভালো থাকা যায়, জানি, তবু চাই,কিছু ব্যাথা ফিরে আসুক, কেউ কেউ হয়ে থাক,দুরারোগ্য অসুখ!"