Jump to ratings and reviews
Rate this book

যারা স্বপ্ন দেখেছিল

Rate this book
এই গল্প কয়েকজন সামান্য মানুষের-
যারা স্বপ্ন দেখেছিল।
যাদের স্বপ্ন হারিয়ে গেছে। কিংবা হারায়নি।
যারা এখনও স্বপ্ন দেখে।
কিংবা স্বপ্ন দেখে না-তবে স্বপ্নদেখা চোখ খুঁজে ফেরে।

এই গল্প তাদের যারা ইতিহাসের রথের সঙ্গে পাল্লা দিয়েছিল।
ছিটকে পড়েছিল। টাল সামলাতে সামলাতে হারিয়ে গিয়েছিল।
কিংবা বাঁচার আনন্দে বেঁচেছিল স্বপ্নকেই হত্যা করে;
তবু সামান্য মুহূর্তের জন্য হলেও
এমন এক স্বপ্নের জন্ম দিয়েছিল
কখনো হারায় না যা, কখনোই হারাবে না।

জন্ম-মৃত্যুর দায় কেউ স্বীকার করুক বা না করুক
সেইসব স্বপ্ন চিরজাগরুক, অবিনশ্বর।

158 pages, Hardcover

Published February 1, 2020

2 people are currently reading
151 people want to read

About the author

Imtiar Shamim

53 books115 followers
ইমতিয়ার শামীমের জন্ম ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৫ সালে, সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলায়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। আজকের কাগজে সাংবাদিকতার মাধ্যমে কর্মজীবনের শুরু নব্বই দশকের গোড়াতে। তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘ডানাকাটা হিমের ভেতর’ (১৯৯৬)-এর পান্ডুলিপি পড়ে আহমদ ছফা দৈনিক বাংলাবাজারে তাঁর নিয়মিত কলামে লিখেছিলেন, ‘একদম আলাদা, নতুন। আমাদের মতো বুড়োহাবড়া লেখকদের মধ্যে যা কস্মিনকালেও ছিল না।’

ইমতিয়ার শামীম ‘শীতের জ্যোৎস্নাজ্বলা বৃষ্টিরাতে’ গল্পগ্রন্থের জন্য প্রথম আলো বর্ষসেরা বইয়ের পুরস্কার (২০১৪), সাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য ২০২০ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ দেশের প্রায় সকল প্রধান সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
14 (37%)
4 stars
17 (45%)
3 stars
5 (13%)
2 stars
1 (2%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 10 of 10 reviews
Profile Image for Rifat.
501 reviews327 followers
June 18, 2021
'একটু ভেতরে যেতে দিন স্যার। গ্যালারিতে বসে আপনার কাছে থেকে পা-চাটা শিখি।' কিন্তু এইসব স্যাটায়ার আবার আরেকজনের ভালো লাগে না। সরাসরি বলে সে, 'আপনারা বলদ না তো কী স্যার? জোহা স্যার গুলি খেয়ে মারা গিয়েছিলেন, আর আপনারা ডিক্টেটরের পা চাটছেন। কী দরকার ছিল আপনার লেখাপড়া করার? আপনার মতো শিক্ষকের আদৌ কোনও দরকার আছে, বলেন?'

দরকার আছে কি নেই সে পরে জানলেও চলবে বোধহয়। হুম, জোহা স্যারের ভার্সিটিরই গল্প এটা। আশির দশকের রাবি আর চলমান এক সংকটপূর্ণ রাজনৈতিক অবস্থা'ই এই বইয়ের মূল বিষয়। আমার তো এদুটিকেই প্রধান চরিত্র বলে মনে হয়েছে। অনেক মানুষকেই এখানে দেখানো হয়েছে। ওরা সবাই আমার কাছে প্রধান চরিত্র- বাড়ি থেকে টাকা পাঠাতে দেরি হওয়ায় খাওয়ার খরচ চলবে কিভাবে তা নিয়ে চিন্তা করা নিম্নবিত্ত পরিবারের কিংশুক; ভার্সিটি অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ হয়ে গেলে বাদাম-সিগারেট বেঁচা-কেনা বন্ধ হওয়ার আশংকায় থাকা আক্কাস কিংবা ঐ ওমর শরিফ নামের প্রফেসরটি যিনি স্ত্রীর নাম পালটে তোজল্লী মাছুমা করে দেন; ঐ রগ কেটে বেড়ানো মানুষগুলো কিংবা একবার এক ঝলকের জন্য আসা এরশাদ সাহেবের চরিত্র!

বইটিতে উঠে এসেছে এরশাদ সাহেবের সময়কালে হওয়া ছাত্র আন্দোলন, রগ কাটা বাহিনীর কর্মকান্ডের বর্ণনা আর এক টুকরো রাবি। আসলে "এই গল্প তাদের যারা ইতিহাসের রথের সঙ্গে পাল্লা দিয়েছিল। ছিটকে পড়েছিল। টাল সামলাতে সামলাতে হারিয়ে গিয়েছিল। কিংবা বাঁচার আনন্দে বেঁচেছিল স্বপ্নকেই হত্যা করে।" আবার এই গল্প শুধুই কিছু মানুষের যারা নতুন শিক্ষাঙ্গণে পা রেখেছে-

"এদের আক্কেলজ্ঞানের অভাব আছে। ভার্সিটিতে পড়ে, অথচ জেলা সমিতি থানা সমিতি করে বেড়ায়। আঞ্চলিকতা এখনও গেল না মাথার মধ্য থেকে।" রিলেটেবল!?


আবার এই বই পড়তে পড়তে কিংশুক, মননদের সাথে ভার্সিটিতে চলতে চলতে অনেকের নস্টালজিক হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। হুটহাট গন্ডগোলের কারণে ভার্সিটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হওয়া কিংবা এখানে ওখানে দল বেঁধে আড্ডা দেয়া, চা-পান! আবার সকালের ক্লাস কিংবা কিছু কিছু শিক্ষকদের বাঁকা চাউনি/কথা!
আমার মাঝে মাঝে অদ্ভুত লাগে। বেশ খানিকটা। এই যে কলেজে পড়ুয়া কিংবা অনার্সে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের তাদের শিক্ষকরা (অবশ্যই সবাই নয়) খুব একটা সুনজরে দেখতে পারেন না এর পেছনে কোন মনস্তত্ত্ব কাজ করে!? বয়সের তফাতটাই কি এক্ষেত্রে মূল সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় ঈর্ষা হিসেবে? (দায়িত্বের চাপে পড়া বয়স বাঁকা চোখে একটু ঈর্ষা নিয়ে দেখে ফুটন্ত বয়সকে!!) নচেৎ অতি সাধারণের প্রতিও কেন অমন মনোভাব!?


যারা স্বপ্ন দেখেছিল বইটা শুধু স্বপ্নের কথাই বলে না চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় ভার্সিটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতি। কিন্ডারগার্টেন, প্রাইমারী, হাইস্কুলে যেভাবে আগ্রহ নিয়ে শিক্ষকরা পড়িয়ে থাকেন কলেজের দিকে সেটা একটু কমে যায় আর বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ঠিক ক'জন আগ্রহ নিয়ে পড়ান! বেশিরভাগের আগ্রহ তো ঐ দিকেই- কাকে কিভাবে কি বললে কখন উপকার মেলে, ঐ দেশের পিএইচডির স্কলারশীপটা কিভাবে পাওয়া যায়; এম ফিলটা কিভাবে করা যায়; কিভাবে চেয়ারম্যান কিংবা মাথা হওয়া যায়, ব্লা ব্লা ব্লা।

যে যায় লংকায়, সেই হয় রাবণ- মানুষ কি আর সাধে বলে।


ক্ষমতাসীন, ক্ষমতাধীন আরও কত কি: কেউ আম্মাজান হয়ে ব্যাপিত হয় সবার মাঝে, কেউ খাবার নিয়ে গর্ব বোধ করতে থাকে, কেউ আবার প্রেমের দর্শন কপচায় আবার কেউ রাত তিনটায় কর্মঘন্টা সম্পাদন স্বরূপ ক্লাস নিয়ে থাকে। এভাবে চলতে থাকে, চলতেই থাকে, ছাত্ররা দলে দলে আসতেই থাকে, আসতেই থাকে; বের আর হতে পারে না, জমে যায়; ফুলে ফেঁপে ওঠে ইউনিভার্সিটির আঙিনা। ফুলে ওঠা রাবার বলের মতো ঠাস করে ফেঁটে যায়; আবার শুরু হয় আন্দোলন, নতুন কর্তা আসে, নতুন ছাত্র আসতেই থাকে, এভাবে চলতেই থাকে; আর আসে ওরা! যারা স্বপ্ন দেখে...

~১৮ জুন, ২০২১
Profile Image for Daina Chakma.
440 reviews774 followers
March 27, 2020
সমকালীন অস্থির অনিশ্চিত সময়কে উপেক্ষা করে অন্য এক অশান্ত সময়ে ডুবে গিয়েছিলাম।

পাঠপ্রতিক্রিয়া লিখতে অপারগ।
Profile Image for Harun Ahmed.
1,668 reviews432 followers
November 28, 2022
৩.৫/৫
উপন্যাসটি লেখকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে রচিত; গত শতকের আশির দশকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতি, জামাত শিবিরের উত্থান এবং কয়েকজন ক্ষুদ্র মানুষের স্বপ্ন ও স্বপ্নভঙ্গের কাহিনি নিয়ে। আশ্চর্যজনকভাবে আক্কাস ছাড়া কোনো চরিত্রকেই জীবন্ত মনে হয় না, সবাই যেন নির্দিষ্ট একটা টাইপ। গল্পের গতিপ্রকৃতিও কেমন যেন ছিন্নবিচ্ছিন্ন। পাঠক ঠিক একাত্ম হওয়ার সুযোগ পায় না; তাদের পরিণতিও উপযুক্ত অভিঘাত সৃষ্টি করতে পারে না। তবু ইমতিয়ার শামীম এর বিষয়বস্তু নির্বাচন বরাবরের মতোই অনন্য। ধর্মকে রাজনীতিতে অপব্যবহার করা, ছাত্ররাজনীতির কদর্য রূপ আর সেই রাজনীতির বলি হওয়া সাধারণ মানুষ ও তাদের পরিবারের অসহায়ত্বের গল্প তো আমাদের কথাসাহিত্যে খুব বেশি লেখা হয় না।সেই হিসেবে "যারা স্বপ্ন দেখেছিল" আমাদের মনোযোগ দাবী করে।
Profile Image for Saiful.
18 reviews6 followers
September 18, 2020
প্যান্ডেমিকের শুরুর দিকে বই পড়ার নেশাটা চাঙা হয়ে উঠলে আমার তৃষার্ত পাঠক মনের পিপাসা মেটাতে ইমতিয়ার শামীমের 'আমরা হেঁটেছি যারা' 'আমাদের চিঠিযুগ কুউউ ঝিক ঝিক' ভালোলাগার যোগান দিয়েছে। অবশ্য বইদুটা পড়া শেষে এই ভালো লাগার সাথে একরাশ বিষণ্ণতাও যে বিনামূল্যে পাইনি তা অস্বীকার করব না। সেই ভালো লাগা আর একটু আধটু বিষণ্ণতা ফিরে পাবার স্বপ্ন দেখে লেখকের নতুন বই 'যারা স্বপ্ন দেখেছিল' অনেকটা চোখ বন্ধ করেই অর্ডার করে দিলাম রকমারিতে। অবশ্য রকমারিতে আজকাল চোখ বন্ধ করে অর্ডার করতে গেলে যেকোন সময় 'মোটিভেশনাল 'সাহিত্য'' এর ফাঁদে পড়ে যেতে পারেন। :3  বই অর্ডার করার সময় বাংলাদেশের কোভিড পরিস্থিতি দিনকে দিন খারাপ মোড় নিচ্ছিল। আর অর্ডার করার পাকা ২ মাস পর যখন রকমারী বই ডেলিভারী দিল ততদিনে সরকারের 'প্রশংসনীয় দক্ষতায়' প্যান্ডেমিক সংকট অনেকটাই নর্মালাইজড সিচুয়েশন হয়ে গিয়েছে।
যাক, এই সুবাদে বইখানা তো হাতে পেলাম। :3

এক সংকটের সময়ে বসে আরেক সংকটের সময়কার উপন্যাস পড়া শুরু করতে গিয়ে প্রথম ভাবনাটা এটাই এল যে লেখক হয়ত বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের কোন সংকটকালীন সময়কেই উপন্যাসের বিষয়বস্তু হওয়া থেকে বাদ দিতে চান না। প্লট গড়ে উঠেছে এরশাদ শাসনামলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে। শেষটায় অবশ্য প্রগতিশীল অংশকে অনেকটা সময়ই প্রতিক্রিয়াশীলদের প্রোপাগান্ডা, নাশকতার বিরুদ্ধে লড়ে যেতে হয়েছে। তবে প্রতিক্রিয়াশীল অংশের চরিত্রগুলোকে উপস্থাপন করার বেলায় হুমায়ুন আজাদকেই যেন দেখতে পেয়েছি। উপন্যাসের একটা মোটামোটি জায়গা জুড়ে যখন প্রতিক্রিয়াশীলদের সবগুলো বৈশিষ্ট্যের বক্সে টিক মার্ক দিয়ে দিয়ে উপস্থাপন করতে ব্যয় করা হয় তখন কিছুটা চোখে লাগে বৈকি।  বা এমনটাও হতে পারে যে এই গোষ্ঠীটাকে উপস্থাপন করার মতো বিদ্যমান বৈশিষ্ট্য এইগুলোই।

উপন্যাসে মোটাদাগে প্রধান চরিত্র কিংশুক। কিংশুকের ভেতরকার চলমান দ্বন্দ্বের সাথে পাঠককে সহানুভূতিশীল করতে পারাটা লেখকের লেখনশৈলীর সার্থকতা। তবে এর উল্টোচিত্রও আছে। কিংশুক আর রাত্রির সম্পর্কের শুরু বা টানাপোড়েন ঠিকমত ফুটে উঠেনি বলেই মনে হয়েছে। আরেকটা প্রধান চরিত্র বলা যায় আক্কাস। উপন্যাসের নামানুসারে দৃশ্যত কোথাও কোথাও মূল চরিত্র। অনেক জায়গাতেই তাকে কানেক্টর বা ন্যারেটর হিসেবে ভূমিকা পালন করতে হয়েছে। বইয়ের কিছু খারাপ লাগার দিক বলতে গেলে এই চরিত্রটাও আসবে। তার চরিত্রের শুরুটা যেরকম প্রমিজিং ছিল উপন্যাস শেষ হতে হতে সেটা অনেকটুকুই খাপছাড়া মনে হয়েছে। বা হতে পারে আমাকেই টানেনি! কিছু জায়গায় উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্রের ক্ষেত্রেও যে এই খাপছাড়া ভাব চোখে লাগে নি তা বলব না! বই পড়া শেষে ফ্ল্যাপের লেখা উল্টেপাল্টে দেখতে গিয়ে কয়েকটা লাইন দেখে মনে হল উপন্যাসের শুরু থেকে শেষের সরলীকরণ করতে চাইলে এর চেয়ে ভালো কিছু লিখা সম্ভব না।

'এই গল্প তাদের যারা ইতিহাসের রথের সঙ্গে পাল্লা দিয়েছিল। ছিটকে পড়েছিল। টাল সামলাতে সামলাতে হারিয়ে গিয়েছিল। কিংবা বাঁচার আনন্দে বেঁচেছিল স্বপ্নকেই হত্যা করে;
তবু সামান্য মুহূর্তের জন্যে হলেও
এমন এক স্বপ্নের জন্ম দিয়েছিল
কখনো হারায় না যা, কখনোই হারাবে না।'


বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের বিষয়বস্তু ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে সবসময়ই আকর্ষণীয়। কিন্তু ইমতিয়ার শামীমের বইয়ের ক্ষেত্রে বিষয়বস্তুর চেয়ে লেখনশৈলীকেই প্রধান উপজীব্য বলে মনে করি। তার লেখা অন্য দুইটা বই পড়ে লেখনশৈলীর জাদুময়তায় যেরকম মুগ্ধ হয়েছিলাম, এটাতে সেরকম সম্ভব হয় নি।

সাড়ে তিন তারা তো দেওয়া যায় না, চার তারাই সই!
Profile Image for Chandreyee Momo.
220 reviews31 followers
September 13, 2024
বইটা এত ভাল লাগলো, এত বেশি।
বিষন্নতা, মন খারাপ করা
Profile Image for Md Shariful Islam.
258 reviews84 followers
October 30, 2021
শিবির কর্মীরা সবাই কি বিকৃত যৌনতার আর নীল ছবির ভক্ত নাকি? আজাদ সাহেবের পাক সার... এও ব্যাপারটা দেখেছিলাম। লেখকরা এই ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করলেন কই থেকে?!
Profile Image for Alif Rahman.
12 reviews
April 11, 2020
একদল মানুষের গল্প, যাদের অনেক কিছুই ছিলো না, কিন্তু স্বপ্ন ছিলো, সাহস ছিলো, ইচ্ছা ছিলো, হাস্যোজ্জ্বল তরুণ প্রাণ ছিলো।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এরশাদ শাসনামলে শিবিরের উত্থানের নোংরা রক্তাক্ত ইতিহাসে ধুয়ে যাওয়া প্রাণ হারানো একদল স্বপ্নদ্রষ্টার গল্প।
Profile Image for Mahbub Mayukh Rishad.
57 reviews15 followers
May 25, 2021
ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ সময় ( এরশাদ) শাসনের সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা নিয়ে লেখা ইমতিয়ার শামীমের আরেকটি মাস্টারপিস হয়ে উঠতে পারত কিন্তু গল্পের একরৈখিকতার জন্য বোধহয় ঠিক আমাদের চিঠিযুগ কিংবা আমরা হেঁটেছি যারার কাছে গিয়ে দাঁড়াতে ব্যর্থ হয়, আমার কাছে।
Profile Image for Dain Munna.
39 reviews5 followers
May 1, 2022
"আমরা হেঁটেছি যারা" এবং "আমাদের চিঠিযুগ কুউউ ঝিক ঝিক" তুলনায় এটা তেমন টানে নাই। মাসখানেক ধরে একটু একটু পড়তাম। বেশি পড়তে পারছিলাম না। ৩.৫ দেওয়া যেতে পারে।
Profile Image for Kripasindhu  Joy.
548 reviews
October 16, 2025
৩.৫/৫

ইমতিয়ার শামীমের লেখা কেবলমাত্র তার উন্নত ভাষাশৈলীর কারণেই উৎরে যায়। তবে, তার গল্পচয়নের দক্ষতাও অনস্বীকার্য।
স্বৈরাচারী এরশাদের আমলের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে লেখা এই উপন্যাসিকা কেন যেন বিচ্ছিন্ন লাগে। পুরো বই জুড়েই এক আলগা আলগা ভাব বিরাজমান৷ চরিত্রগুলোও স্পষ্ট করে ফুটে ওঠেনি তাই তাদেরকে ঠিক চেনা যায় না, বোঝা যায় না। তবে, আক্কাসকে আমরা খুব সহজেই চিনে ফেলতে পারি। আর, কিংশুক আমাদের মনে থাকে।
Displaying 1 - 10 of 10 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.