Jump to ratings and reviews
Rate this book
Rate this book
আফ্রিকার রত্নগুহার সন্ধানে যাবার ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা এবং কখনো জন্তু-জানোয়ার, কখনো নরখাদকের মুখোমুখি হওয়ার রোমাঞ্চকর কাহিনী। পাতায় পাতায় রহস্য আর রোমাঞ্চে ভরা বইটি পড়তে শুরু করলে শেষ না করে ওঠা অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে।

80 pages, Hardcover

First published January 1, 1933

35 people are currently reading
255 people want to read

About the author

Hemendra Kumar Roy

188 books81 followers
Hemendra Kumar Roy (Bangla: হেমেন্দ্রকুমার রায়) was a Bangali writer noted for his contribution to the early development of the genre of children's literature in the language. He was a noted contributor to the early development of Bengali detective fiction with his 'Jayanta-Manik'-stories, dealing with the exploits of Jayanta, his assistant Manik, and police inspector Sunderbabu. Roy also translated the Rubaiyat of Omar Khayyám into Bengali. One of the best translations anywhere of Alice in Wonderland is Roy's Ajab Deshe Amala.

He is best remembered as the creator of Bimal-Kumar, the adventurer duo and Jayanta-Manik the detective duo. It was Bimal-Kumar's adventure story Jokher Dhan, for which he is famous in Bengali literature for children. He was a staunch believer in supernaturals and he used the supernatural element in several of his adventure and mystery stories. He was also a painter and the choreographer for Shishirkumar Bhaduri's Seeta. He created a comic series titled Tara Teen Bondhu, which consists of seven short stories such as 'Kukur Kahini', 'Nakuler Daon Mara', 'Maharaja Chor Churamoni Bahadur', 'Kamon Kore Totlami Sare', 'Kartik Pujor Bhoot', 'Der Dozon Jahagi', and 'Madhureno Somapoyet'. The three main character of this series, Atal, Patol and Nakul, won huge popularity among the children and youngsters.

Pinaki Roy, who has offered post-colonial interpretations of Bengali detective fiction, gives primacy to Roy more as a writer of sleuth narratives than of children's literature. Pinaki Roy credits the litterateur for initiating a trend which would ultimately bring Bengali detective-story-writing from its colonial phase to its anti-imperialistic one: "Jayanta, the detective-cum-scientist, is probably one of the earlier fictional Indian sleuths who use their Indian sensibilities to capture Indian criminals operating in what could be idenfied as an 'indigenous' atmosphere.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
80 (19%)
4 stars
182 (43%)
3 stars
130 (30%)
2 stars
25 (5%)
1 star
4 (<1%)
Displaying 1 - 30 of 41 reviews
Profile Image for সারস্বত .
237 reviews136 followers
June 20, 2017
হ্যারিপটার সিরিজের লেখিকা জে কে রওলিং তার প্রথম বই হ্যারি পটার এন্ড দ্য ফিলোসফারস স্টোনে বলেছিলেন,
“It takes a great deal of bravery to stand up to our enemies, but just as much to stand up to our friends.”

যকের ধন কিশোর ক্ল্যাসিকটি যারা পড়েছেন তারা আবার যখের ধন পড়বার সময় কুমার চরিত্রটির মমাঝে একটি পরিবর্তন খুজে পাবেন। ঠিক রওলিং এর বাক্যটির মত বন্ধু বিমলের সংস্পর্শে এসে ঘরমুখো বাঙালী সন্তান কুমারেরও সাহসী সত্ত্বার প্রকাশ ঘটে।

যকের ধনের সাথে আবার যখের অন্যতম পার্থক্য হলো এই লেখাটি হয়েছে নাম পুরুষে। আর এখানে বিমল, রামহরি, কুমার আর বাঘা গুপ্তধন খুঁজতে স্বদেশ নয় পাড়ি জমায় আফ্রিকা।

একদিন বিমল আর কুমারের দুঃসাহসিক অভিযানের কথা শুনে মানিকবাবু নামের এক ভদ্রলোক এসে তার বাড়িতে ভূতের উপদ্রবের কথা জানায় আর সেই সাথে জানায় গুপ্তধনের সন্ধান।

সূদুর আফ্রিকা থেকে মানিকবাবুর মেজকাকা একটি চিঠি লিখে তাকে গুপ্তধনের কথা অবগত করে মারা যায়। সাথে দিয়ে দেয় গুপ্তধনের গুহার মানচিত্র। জায়গাটা হলো আফ্রিকার বিশাল হ্রদ টঙ্গানিয়ার নিকটে অবস্থিত উজিসি বন্দর আর সেই বন্দরের কাছাকাছি দুর্গম পাহাড়ী জায়গার একটি গুহা।

সাথে সাথে বিমল, রামহরি, কুমার, বাঘা জোট মানিকবাবুকেও বগলদাবা করে আফ্রিকার উদ্দেশ্য পাড়ি জমায়। আর সেখানে প্রায় ১২৪ জন আফ্রিকান উপজাতি কাফ্রি আর সোয়াহিলিদের অর্থে বদলে দলে ভিড়িয়ে শুরু করে তাদের যাত্রা।

তারপরেও বিপদের হাত থেকে রক্ষা পায় না ওরা। আফ্রিকার ভয়ানক জঙ্গলে জন্তুর ভয়, হিংস্র উপজাতিদের আক্রমণ, আর গুপ্তধনের আরেক প্রতিদ্ধন্দীতের হাতে মৃত্যুর প্রায় শেষ সীমায় পৌছে গেল ওরা।

আর তারপর? তারপর তাদের সাথে একজন সিংহ শিকারীর দেখা হয়। তার নাম গাটুলা। আর তারপর? অনেক বলছি, আর পারবো না, পড়ে নিবেন

ব্যক্তিগত মতামতঃ

লেখক তার রচনায় কাহিনীর বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত বর্ণনা তেমন করেননি। প্রাকৃতিক বর্ণনা ছিলো সংক্ষিপ্ত এবং প্রাঞ্জল। একটার পর একটা পদক্ষেপ সাজিয়ে স্পষ্ট করে লেখাটি উপস্থাপন করেছেন।

মানিকবাবু চরিত্রটির মাধ্যমে লেখক ঘরকুনো বাঙ্গালীদের ঘরকুনো মানসিকতা তুলে ধরেছেন। যারা যেখানেই যাক না কেন মন পরে থাকে নিজের ঘরটিতে।

বিমল চরিত্রটির মাঝে লেখক আহবান জানিয়েছে ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে। বন্ধঘরের মাঝে জীবন বাস করে না। দুর্গম গিরি, হিংস্র জঙ্গল কিংবা অজানা জায়গা জয়ের মাঝেই জীবনের প্রকৃত স্বাদ নিঃশ্বাস নেয়।

পরিশেষে লেখিকা এমা ডোনাহিউ এর একখানা উদ্ধৃতি দিতে চাই,
“Scared is what you're feeling. Brave is what you're doing.”
Profile Image for Tiyas.
473 reviews128 followers
May 6, 2022
গুপ্তধনের কোনো অন্ত নাই। সাথে বাঙালির সাহসেরও।

ধুর ধুর। কাহাতক আর বাড়ি বসে থাকা যায়? সত্যিই তো, মোক্ষম প্রশ্ন। বিমল কুমার দুজনেই চিন্তামগ্ন। এহেন সময় যখন দরজায় কড়া নাড়ে ভীতু প্রকৃতির মানিক বাবু, সাথে নিয়ে এক বাক্স রহস্যের গন্ধ, বেরিয়ে পড়া তখন সময়ের অপেক্ষা। যখের ধন এইবারে যে সুদূর আফ্রিকায়। ওদিকে দল ভারী করে স্বমহিমায় হাজির শ্রীমান রামহরি ও তার স্বাদু হাতের ভেলকি। এইবারে কেবল জাহাজ ছাড়বার অপেক্ষা...

এবাবা, ইনি আবার রেগে লাল। আহা, তোমার কথা ভুলিনি তো। এই দেখুন মাস্টার বাঘাও ল্যাজ নাড়ছে। ওকে ছাড়া যেন কোথাও বেরোনোর যো আছে!
Profile Image for Riju Ganguly.
Author 38 books1,870 followers
December 25, 2014
বিমল, কুমার এবং বাঘার তিনটি রোমাঞ্চকর অ্যাডভেঞ্চার দুই মলাটের মধ্যে এনে (তাও আবার অত্যন্ত সুলভ মূল্যে) দেওয়ার জন্যে প্রকাশক দেব সাহিত্য কুটির-কে ধন্যবাদ জানাতেই হচ্ছে। এর মধ্যে প্রথম উপন্যাসটি বাংলায় সর্বকালের জনপ্রিয়তম অ্যাডভেঞ্চারগুলোর মধ্যে পড়বে। শুধু প্রকাশক যদি পুরনো অলংকরণগুলো আর প্রথম প্রকাশ সংক্রান্ত তথ্যগুলোও দিতেন, তবে কী ভালোই না হতো!
Profile Image for শুভাগত দীপ.
279 reviews44 followers
August 31, 2018
|| রিভিউ ||

বইঃ আবার যখের ধন
লেখকঃ হেমেন্দ্রকুমার রায়
প্রকাশকঃ নালন্দা
প্রকাশকালঃ জানা নেই (ইন্ডিয়াতে প্রথম প্রকাশঃ ১৯৩৩)
ঘরানাঃ অ্যাডভেঞ্চার/ট্রেজার হান্ট/থ্রিলার/ক্লাসিক
প্রচ্ছদঃ সাগর
পৃষ্ঠাঃ ৭৫
মুদ্রিত মূল্যঃ ৭৫ টাকা
ধরণঃ পিডিএফ

কাহিনি সংক্ষেপঃ বিমল ও কুমারের দিন কেটে যাচ্ছিলো শান্ত ও নিস্তরঙ্গ ভাবে। এমনই এক সময় তাদের কাছে সাহায্যপ্রার্থী হিসেবে আগমন ঘটলো মানিকবাবুর। তাঁর বাড়িতে নাকি ব্যাপক ভূতের উপদ্রব। ব্যাপারটা সমাধানের জন্য বিমল ও কুমারের সাহায্য চান তিনি। আগ্রহী হওয়ায় বন্ধুদ্বয় রওনা দিলো মানিকবাবুর বাড়িতে৷ সেখানে গিয়ে ভূত রহস্যের সমাধান হোক না হোক, নতুন একটা রহস্যের গন্ধ পেয়ে গেলো ওরা৷ আর সেই রহস্য যে সে রহস্য না, গুপ্তধনের রহস্য!

মানিকবাবুর মেজোকাকা তাঁর মৃত্যুশয্যায় আফ্রিকা থেকে একটা চিঠি ও ম্যাপ পাঠিয়েছেন। যেখানে দাবী করা হয়েছে, ম্যাপ অনুযায়ী গেলেই পাওয়া যাবে রাশি রাশি গুপ্তধন। কিন্তু সেই পথ বড় বিপদসঙ্কুল। পাহাড়-জঙ্গল ডিঙ্গিয়ে, নানা হিংস্র প্রাণীর মোকাবেলা করে এবং জংলী অসভ্যদের এড়িয়ে সেই রত্নগুহায় পৌঁছাতে গেলে হতে হবে অতি সাহসী। আর বরাবরই সাহসী স্বভাবের বিমল ও কুমার অবধারিত ভাবেই ঝাঁপিয়ে পড়লো এই বিপদে। আফ্রিকার বুকে শুরু হলো ওদের অভিযান। সঙ্গী হলো রামহরি ও কুকুর বাঘা৷ আর সাথে ভীতু স্বভাবের মানিকবাবু তো রইলেনই। পথে এসে জুটলো সিংহদমন গাটুলা সর্দার।

এদিকে গুপ্তধনের পেছনে লেগেছে আরো অনেকেই। রাতের আঁধারে হামলা হলো বিমল-কুমারের দলের ওপর। চিঠি আর ম্যাপের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে কারা যেন। এদিকে উটকো বিপদ হিসেবে বিশালদেহী 'ঘটোৎকচ' তো আছেই। আবার ওদিকে রত্নগুহা পাহারা দিচ্ছে অসংখ্য যখ। একটা অ্যাডভেঞ্চার গল্প জমে ওঠার জন্য এসব কিন্তু যথেষ্ট। আর গল্পটাও জমে উঠলো নিশ্চিতভাবে।

পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ হেমেন্দ্রকুমার রায়ের ক্লাসিক 'যকের ধন' পড়ার বেশ কিছুদিন পর পড়লাম 'আবার যখের ধন'। তাঁর সৃষ্ট দুই অমর চরিত্র বিমল ও কুমার পূর্বের অভিযানের মতো এই অভিযানেও অত্যন্ত সাহসীকতার সাথে নিজ লক্ষ্য পূরণে অগ্রসর হয়েছে। তবে এবারের এই অভিযান দেশের মাটিতে না, বরং সুদূর আফ্রিকার বিপদসঙ্কুল পাহাড়-জঙ্গলে।

১৯৩৩ সালে প্রকাশিত এই বইয়ে হেমেন্দ্রকুমার রায় যেরকম মুনশিয়ানার সাথে সোয়াহিলি জাতি, মোজাম্বিক শহর এবং আফ্রিকার প্রাকৃতিক ও বন্য পরিবেশের বর্ণনা দিয়েছেন তা দারুন উপভোগ্য ছিলো। এই ব্যাপারটার কারণেই বইটা নিছক কোন অ্যাডভেঞ্চার কাহিনি না হয়ে পরিণত হয়েছে তথ্যবহুল জার্নালে।

প্রচুর টাইপিং মিসটেকে পরিপূর্ণ ছিলো বইটা। যদিও এই বইয়ে বানান সংশোধনমারী হিসেবে একজনের নাম ছিলো। কিন্তু সেই ব্যক্তি আদৌ নিজ দায়িত্ব ঠিকমতো পালন করেছেন কিনা তা প্রশ্নবিদ্ধ। পড়তে গিয়ে বেশ কয়েকবার মনে হয়েছে কাহিনি সংক্ষেপিত করা হয়েছে। মাত্র ৭৫ পৃষ্ঠার একটা বইয়ে এতো ভুল সত্যিই চোখে লাগে। যাই হোক, আগ্রহীরা পড়ে ফেলতে পারেন এবং অমূল্য এই ক্লাসিকটা।

ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৩.৫/৫
গুডরিডস রেটিংঃ ৪.০১/৫

© শুভাগত দীপ

(৩০ আগস্ট, ২০১৮)
Profile Image for Madhurima Nayek.
361 reviews134 followers
November 16, 2019
'আবার যখের ধন' গল্পের ধাঁচ 'যকের ধন' এর মতই। বিমল কুমারের গুপ্তধনের উদ্দেশ্যে আফ্রিকার দুর্গম পথে যাত্রা,আর তাদের সঙ্গী হল মানিকবাবু, রামহরি ও পোষ্য কুকুর বাঘা।এরপর শত্রুদের পিছু নেওয়া, পথে শত্রুর আক্রমণ,এছাড়া বন্য জন্তুর উৎপাত তো আছেই। সবমিলিয়ে অ্যাডভেঞ্চার story হিসাবে ভালোই। তবে আমার কাছে 'যকের ধন' গল্পটাই বেশি ভালো লেগেছে।
Profile Image for Sakib A. Jami.
345 reviews41 followers
November 6, 2024
বিমল এ কুমারের কাছে মাখনলাল বাবু একটি সমস্যা নিয়ে এসেছে। তার বাড়িতে না-কি ভূতের উপদ্রব শুরু হয়েছে। কিছুদিন বাড়িতে ছিলেন না তিনি। বাসায় ফিরে এসে দেখেন পুরো বাড়ি লণ্ডভণ্ড। জিনিসপত্র এদিক ওদিক ছড়ানো ছিটানো। কিন্তু কিছুই চুরি যায়নি। এ কি ভূতের উপদ্রব নয়? চোর হলে তো চুরি করে নিত সবকিছু।

আবার রাত্রিতে বাড়ির ছাদে কে যেন ধুপধাপ করে হেঁটে বেড়ায়। এ মানুষের কম্ম নয়। ছাদজুড়ে যেন হাতি হেঁটে বেড়াচ্ছে। এই সমস্যায় ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে মাখনলাল বাবু তাই সমাধান চাইতে এসেছে বিমল-কুমারের কাছে।

ভূত বলতে কিছু হয় না। বিমল বিশ্বাস করে না। তাই এর কারণ খুঁজতে গিয়ে বিমল জানতে পারে, মাখনলালের কাকা একটি চিঠি আর একটি ম্যাপ পাঠায় মাখনলালকে। যেখানে সন্ধান আছে সুদূর আফ্রিকার এক গুপ্তধনের। তারই খোঁজেই বোধহয় আসছে কেউ। গুপ্তধন কে-ই বা ছাড়তে চায়?

যেখানে যেতে পদে পদে বিপদ। হিংস্র জীবজন্তুর আবাস। দুর্গম পথ। আছে অসভ্য বর্বর আফ্রিকানরা। তারপরও বিমল আর কুমার জোর করে মাখনলালকে নিয়ে ছুটল আফ্রিকার পথে। সাথে বিমলের চাকর রামহরি আর কুমারের কুকুর বাঘা।

কিন্তু শত্রুপক্ষও যে অনুসরণ করছে। ঘটোৎকোচের মতো না মানুষ, না প্রাণী যেন বারবার আক্রমণ শানাচ্ছে। যেখানে বেঁচে ফিরতেই দুঃসাধ্য। এমন এক অভিযান থেকে গুপ্তধন আনা যাবে তো?

▪️পাঠ প্রতিক্রিয়া :

হেমেন্দ্রকুমার রায়ের “যকের ধন”-এর চেয়ে “আবার যকের ধন” একটু বেশি সাদামাটা মনে হলো। যদিও দুইটি বইয়ের ক্ষেত্রে বেশ ভিন্নতা রয়েছে। বিমল ও কুমারের এই অভিযানে কুমারকে একটু ব্যতিক্রম লাগল। আগের বইয়ের ভীতু কুমার এবার বেশ সাহসী। বিপদকে ভয় পায় না। যারা বিপদকে জয় করে, তারা ভয়কে হয়তো এভাবেই হারিয়ে দেয়।

বইটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় যে বিষয় লেগেছে, তা হলো আফ্রিকার প্রকৃতি। আফ্রিকার বিপৎসংকুল পথ, হিংস্র পশুপাখি, কত বিপদ পথেঘাটে — লেখক দারুণভাবে সব ফুটিয়ে তুলেছেন। পথে বিপদের মধ্যে শত্রুপক্ষ থেকে আক্রমণ, তাদের বাঁধা দেওয়ার প্রবণতা এখানে গুরুত্বপুর্ণ। বিশেষ করে ঘটোৎকোচের রহস্যটা বেশ উপভোগ্য ছিল।

তবে মাখনলাল চরিত্রকে বেশ মনে ধরেছে। মজার এক চরিত্র হিসেবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ভূতের ভয়ে ভীত, একটু পরপর ভয়ের কারণ মূর্ছা যাওয়ার অবস্থা তৈরি করে বইটিকে কিশোরদের জন্য উপভোগ্য করে তোলা হয়েছে।

বিমলের সাথে গরিলার লড়াইটা অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছিল। যদিও শেষে এর উত্তর পেয়ে ভালো লেগেছে। কোনো অতিরঞ্জিত বিষয় ছিল না। ঘরের শত্রু বিভীষণ বলে একটা কথা আছে। সম্পদের জন্য নিজের ভাইপোর জীবন হুমকির মুখে যে ফেলতে পারে, সে আর যাই হোক সুবিধাজনক কেউ নয়। কিন্তু যে সম্পদের জন্য এত দৌড়ঝাঁপ, তা কি সত্যিই পাওয়া হয়? আর পাওয়া গেলেও কি ভোগ করা যায়? কিছু প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায় না। অজানা থেকেই যায়। হয়তো এক সময় এর উত্তর ঠিকই মিলবে।

এখানে লেখকের মনের ভাবও ফুটে উঠেছে দারুণভাবে। এই যেমন দেশের প্রতি ভালোবাসা, নিজ জাতির প্রতি গর্ববোধ প্রাধান্য ছিল। লেখকের ভাষার মাধুর্যতা মুগ্ধ করার মতো। শব্দচয়ন বেশ। পড়তে পড়তে কখন যে শেষ হয়ে যায়, বোঝা যায় না। যদিও নিজেদের সভ্য মেনে আফ্রিকান নিগ্রোদের অসভ্য হিসেবে প্রতিপন্ন করা ভালো লাগেনি। সভ্য, অসভ্যের মাপকাঠি আসলে কী? একেই কি বলে বর্ণবাদ?

▪️বানান, সম্পাদনা ও অন্যান্য :

সম্পাদনা, বানান, সেটআপ পুরোপুরি টপনচ। বানান ভুল একদমই চোখে পড়েনি। ছাপার ভুল নেই বললেই চলে। প্রতীক প্রকাশনা সংস্থা এখানে সেরা কাজটিই দেখিয়েছে। গল্পের মাঝে কিছু ইলাস্ট্রেশন ছিল, যা পরিস্থিতি বুঝতে সাহায্য করেছে।

বাঁধাই দারুণ। তবে প্রচ্ছদ আমার কাছে অতটা মনে ধরেনি। যেহেতু কিশোর উপযোগী বই, প্রচ্ছদটা তাদের ভালো লাগবে আশা করি।

▪️পরিশেষে, বয়স যে বাড়ছে এ জাতীয় বই পরে বুঝতে পারি। এক সময় এই ধরনের বইগুলো আগ্রহ নিয়ে পড়তাম। এখন চলে যায়, অতটা মন মতো হয় না। কিশোর, তারুণ্য, যৌবন পেরিয়ে একে একে বার্ধক্যের দিকে এগিয়ে যেতে হচ্ছে।

▪️বই : আবার যকের ধন
▪️ লেখক : হেমেন্দ্রকুমার রায়
▪️প্রকাশনী : প্রতীক প্রকাশনা সংস্থা
▪️ব্যক্তিগত রেটিং : ৩.৮/৫
112 reviews
June 10, 2022
সিরিজের প্রথম পর্বে,অর্থাৎ যকের ধন এ প্রথমবার বিমল যখন ভুয়া কঙ্কালের মাথা দিয়ে শত্রুদের বোকা বানালো,তখন তা বাহবা কুড়িয়েছিলো।কিন্তু সেই একই স্ট্র‍্যাটেজি পরপর দুই বইয়ে ব্যবহার করাটা বেখাপ্পা লেগেছে।পুরো বই জুড়ে ঘটতকচকে অমন অসুরের মতন শক্তি,ভূতের মতন কালো,গরিলার মতো লোমশ,হাতির মতো ভারি ইত্যাদি বিশেষণে বিশেষায়িত করার পর ঘটতকচের আসল পরিচয় জানার পর আশা করছিলাম চক্ষু চরক গাছ হবে।সে আশা নিরাশাতে পরিণত হলো বলে একটা চাপা কষ্ট কাজ করছে।

এই বইয়ে কুমারকে প্রথম বইয়ের চেয়েও সাহসী হিসেবে দেখতে পেয়েছি,তা বোধ হয় কিছুটা বিমলের সংস্পর্শেই।এই বইয়ে ভয় পাওয়ার দায়িত্বে ছিলেন মানিকবাবু।তার মন আফ্রিকার বিপদের সম্মুখীন হচ্ছিলো,আর দেশের জন্য যেনো আরো বেশি করে টানছিলো।প্রথম গল্পে ভীতু কুমার আর সাহসী বিমলের জুটিটা ঠিক ধরতে পারিনি।লেখক আসলে প্রথম বইয়ে কুমার,বা দ্বিতীয় বইয়ে মানিকবাবুর দ্বারা আমরা,আর আট দশজন স্বাভাবিক বাঙালির কথা বলতে চেয়েছেন।বিমলের চরিত্রটি যেনো সেই ভীতু ঘরকুনো বাঙালির পরিপূরক হিসেবে কাজ করছিলো।

গল্পটাযে যে কিশোরদের উদ্দেশ্য করে লেখা,তা পদে পদে বোঝা যাচ্ছিলো।ভয়ানক সব সিংহের দল,কুমির দের সামনে পড়েও চরিত্রগুলো যখন পাঠককে হাসানোর চেষ্টায় ব্যস্ত ছিলো,তখন বুঝতে পারছিলাম,এ কিশোর মন কে তৃপ্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে গড়া।সেই সম্ভাবনা পূর্ণতা পেয়েছে যখন গল্পের শেষের দিকে এসে বিমল এক আস্ত গরিলাকে মাথার উপর তুলে,রীতিমতো আছাড় মারে।এক্ষেত্রে অবশ্য দোষ আমি কিছুটা নিজের ঘাড়েও নিচ্ছি।কারণ আর বছর খানেক আগে বইটা পড়লেও যে নির্দ্বিধায় চার তারা দিতাম,সে আমি কতকটা নিশ্চিত হয়েই বলছি।

গল্পে মানিক বাবুর চরিত্রটাতে কিছুটা ফেলুদার 'লালমোহন বাবু' টাইপের স্বাদ পাচ্ছিলাম।যারা বইটা পড়েছেন,তারা মিলিয়ে নিতে পারেন।তাছাড়া এডভ্যাঞ্চার এর প্লট যখন আফ্রিকা,তখন না চাইতেও বারবার চাঁদের পাহাড় এর সাথে তুলনা করে ফেলছিলাম।দুই বইয়েই এডভ্যাঞ্চার,বিপদ,রহস্য,আফ্রিকা এই বিষয়গুলো কমন ছিলো।বই দুটির মধ্যে চাঁদের পাহাড় কে আলাদা করতে Bibhutibhushan Bandyopadhyay ও উনার কালজয়ী বর্ণনাই ছিলো যথেষ্ট।বিভূতি যে চাঁদের পাহাড় বইয়ে কী অসামান্য কীর্তি ই ঘটিয়েছেন,তা আরো একবার আবিষ্কার করলাম।
Profile Image for Kawsar Mollah.
141 reviews7 followers
October 24, 2016
যখের ধনে যে অপূর্ণতা ছিল, আবার যখের ধন সেটা ভালোই পূরন করেছে।

ভাল একটা এডভেঞ্চার ফ্লেভার ছিল।


হ্যাপি রিডিং :)
92 reviews6 followers
January 12, 2025
আফ্রিকা! তারই ভয়ানক জঙ্গলে লুকিয়ে আছে রত্নগুহার যখের ধন। মানিকবাবুর মেজোকাকার সূত্র ধরে সেখানেই পর্দাপণ ঘটে বিমল-কুমার জুটির। শত শত অসভ্য জাতি, বাঘ, সিংহ, গরিলা, গন্ডার, শৃঙ্গী হস্তীর দল,নরখাদক সবাইকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সেই ধন যে তাদের পেতে হবে। পেতেই হবে। কিন্তু পদে পদে এত বিপদ তারা কী সামলে নিতে পারবে?
অদ্ভুত এক অ্যাডভেঞ্চার।রুদ্ধশ্বাস করা কাহিনি।প্রতি পদে পদে বিপদের গন্ধ। তার মধ্যে সাহসীর ন্যায় এগিয়ে যাওয়া। এর শেষ কোথায়? যখের ধনের প্রাপ্তি কী ঘটেছিল, নাকি শুধু হাতেই ফিরে আসতে হয়েছিল তাদের ? শেষ পর্যন্ত কী প্রাণ রক্ষা হয়েছিল, নাকি বেঘোরে প্রাণ হারাতে হয়েছিল তাদের?
Profile Image for Wazeeha.
372 reviews77 followers
Read
November 18, 2024
যকের ধন বইটি যখন পড়েছিলাম তখন বয়স মাত্র ১২। অনেক ভালো লেগেছিল বইটি পড়ে। সেই স্মৃতির টানেই, ১০ বছর পর(এতো দিন জানতাম না যকের ধন বইয়ের সিক্যুয়েল আছে) আবার যখের ধন পড়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। কিন্তু এই বইটি প্রথম বই এর মতো আমাকে মুগ্ধ করতে পারেনি। সম্ভবত কিছু বই ১২ বছর বয়সে পড়ে যতটা মজা পাওয়া যায়, ২২ বছর বয়সে পড়ে ততোটা মনে ধরেনা।
Profile Image for Alvi Rahman Shovon.
474 reviews16 followers
September 11, 2024
অফিসে যাওয়া আসার পথে সানডে সাসপেন্সে শুনে নিয়েছি অডিওতে। বেশ ভালো লেগেছে।
Profile Image for Farhana Sufi.
495 reviews
September 13, 2015
বিমল-কুমার ডুও-র অভিযাত্রিক জীবনের বেশ কিছুদিন পেরিয়ে 'আবার যখের ধন'-এর কাহিনি। এবার তাদের যাত্রা সুদূর মধ্য আফ্রিকার টাঙানিয়াকা হ্রদ। পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম স্বাদু পানির এই হ্রদ, মোম্বাসা শহর, সমুদ্র ভ্রমণ, মধ্য আফ্রিকার দুর্গম জঙ্গল, সংক্ষেপে সবই উঠে এসেছে কাহিনিতে, খুব নিখুঁত না হলেও যথেষ্ট সুন্দরভাবে।

হেমেন্দ্রকুমার রায় বাঙালির কথিত ভীরুতা আর ঘরকুনো স্বভাবকে এই ডুও-র মাধ্যমে ভুল প্রমাণিত করে তরুণদেরকে সাহসী হতে নতুন অভিযান দেশ ভ্রমণে উৎসাহিত করে গেছেন। তবে ভীরু ঘরকুনো চরিত্র গল্পে এসেছে - প্রথম গল্পে বিমলের দু:সাহস ও শারিরীক শক্তির তুলনায় কুমার ভীতু দুর্বল। নানান অভিযাত্রার মাধ্যমে কুমারের চরিত্র বিমলের মতো হয়ে উঠেছে ধীরে ধীরে। এবার যখের ধন বা গুপ্তধনের মূল স্বত্বাধিকারী ভীরু। গুপ্তধনের পেছনে বাংলার মাটি থেকে সুদূর মধ্য আফ্রিকায় যাত্রার মূল প্লটের পাশাপাশি এই বিপরীত তুলনামূলক চরিত্রগুলোর মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে গল্পের সাব-প্লট হাস্যরস।

পড়তে পড়তে আবারো হেমেন্দ্রকুমার রায়কে ধন্যবাদ দিতে ইচ্ছা হয়েছে। বিংশ শতাব্দীর গোড়ায় পশ্চাদপদ বাঙালি তরুণদের জন্যে নিজেদের দেশীয় চরিত্রের মাধ্যমে নিয়মিতিভাবে এমন করে অ্যাডভেঞ্চার কাহিনি লিখে যাওয়ায়। বরং এখনকার তরুণদের জন্যে আদৌ কেউ নিয়মিত এভাবে মৌলিক কিছু লিখছেন কিনা তাইই চিন্তার বিষয়।
Profile Image for সুমাইয়া সুমি.
248 reviews3 followers
June 30, 2024
"বিপদকে আমরা ভালোবাসি। বিপদ না থাকলে মানুষের জীবনটা হয় আলুনি আলুভাতের মতন। সে-রকম জীবনকে আমরা ঘৃণা করি। বিপদকে আমরা ভালোবাসি।"

এই আমরা হচ্ছেন বিমল ও কুমার। যাদের কাছে যত ভয়ানক বিপদ তত বেশি আনন্দ। এডভেঞ্চার যেখানে আছে সেখানে যত বিপদই হোক তারা তোয়াক্কা করে না। তাই এবার গুপ্তধনের খোঁজে তারা পাড়ি জমিয়েছিলো সুদূর আফ্রিকার টাঙ্গানিকা হ্রদের কাছে। আফ্রিকার বুনো জঙ্গল, পশুপাখি আর যুদ্ধবাজ উপজাতি কিছুই তাদের দমিয়ে রাখতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত গুপ্তধন উদ্ধার হলো নাকি হলো না জানতে হলে পড়তে হবে এই চমৎকার গল্পটা।

আফ্রিকার পটভূমিতে জমে উঠা এরম গল্প পড়লেই আমার মনে হয়, "আমি আফ্রিকা যাইতে চাইইই!" 🥹

সুখপাঠ্য। 🌸
Profile Image for Mahmud.
105 reviews2 followers
November 2, 2023
আহা! আবারো সেই কুমার বিমলের লোম দার করিয়ে দেওয়া অ্যাডভেঞ্চার গল্প। তবে আগেরবারের চেয়ে বেশি ভালো হয়নি
Profile Image for Muna Khan.
88 reviews2 followers
December 3, 2024
📖 আবার যখের ধন

- হেমেন্দ্রকুমার রায় ✍🏻

প্রথমে আমি ভেবেছিলাম "আবার যখের ধন"
"যকের ধন" এর ২য় পার্ট। কিন্তু পড়ার পর দেখলাম এটা সম্পূর্ণ একটি ভিন্ন গল্প।

এই গল্পটির মধ্যেও অনেক অ্যাডভেঞ্চার সাসপেন্স ছিল।
আফ্রিকার রত্ন গুহার গুপ্তধনের সন্ধানে বিমল ও কুমার বেরিয়ে পড়ে। আর এই গুপ্তধনের সূত্রপাত ঘটে মানিক বাবুর ছোট কাকার চিঠিতে। যেখানে থাকে একটি ম্যাপ। সেখান থেকেই শুরু হয় এই গল্পের সূচনা। এরপর থেকে নানা ভাবে সেই ম্যাপ চুরি করার চেষ্টা, বিমল কুমারকে বিভিন্ন জায়গায় বিপদে ফেলার পরিকল্পনা দ্বারা শত্রুপক্ষ তাদের গুপ্তধন থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করে।

কিন্তু আদৌ শত্রুপক্ষ তাদের পরিকল্পনা সফল হল কিনা, বিমল কুমার গুপ্তধনের সন্ধান পেলো কিনা শেষ পর্যন্ত তাই প্রশ্ন?
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Nurul Huda.
193 reviews4 followers
March 7, 2024
বিমল, কুমার, রামহরি, বাঘা(কুকুর)। একদিন তাদের নিকট আসলো মানিকলাল বসু নামের এক ব্যক্তি। তিনি জানালেন, তাঁর বাড়িতে ভূতের উপদ্রব হয়েছে। বিস্তারিত শুনে বুঝলেন মূল কাহিনী, মানিক বাবুর কাকা তাঁর কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন যাতে গুপ্তধনের ঠিকানা আর একটি ম্যাপ আছে। এগুলো চুরি করার  জন্যই তাঁর বাড়িতে চোরের উপদ্রব হয়েছে। সেই গুপ্তধনের ঠিকানাটি হলো,  ইস্ট আফ্রিকার টাঙ্গানিয়া হ্রদের একটি গ্রামে। 

বিমলরা এবং মানিকবাবু সহ ৫জন বের হয়ে যায় গুপ্তধন উদ্ধার করতে। শেষ পর্যন্ত পারবে কি উদ্ধার করতে? 

_

বই : আবার যখের ধন
লেখক : হেমেন্দ্রকুমার রায়
পৃষ্ঠা : ৭৫
৩.৫/৫
৭ মার্চ ২০২৪
Profile Image for Rahul Das.
26 reviews2 followers
October 10, 2020
যখের ধনের মতো রোমাঞ্চকর না হলেও গল্পগুলি পড়তে পড়তে সময়কালের গহ্বরে হারিয়ে যেতেই হয়। এই বইটিতে মোট তিনটে গল্প সংকলিত করা হয়েছে। আবার যখের ধন, সূর্যনগরীর গুপ্তধন, হিমালয়ের ভয়ঙ্কর। আবার যখের ধন আগের বারের মতোই রোমাঞ্চকর। কিন্তু বাকি দুটি গল্প একটু সাধারণ মানের। একটু একঘেয়ে মনে হতেই পারে। তবে ওই সময় লেখকের ভাবনা, কল্পনা যে কতটা উন্নত ছিল তা না পড়লে বোঝা সম্ভব নয়।
এডভেঞ্চার যারা পছন্দ করে, অবশ্যি পড়তে হবে এই বই।
Profile Image for PR  Malick.
33 reviews17 followers
March 23, 2024
বইটির সাথে ছেলেবেলার অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। যখন বই পড়ার আর জানার ইচ্ছে সবে মাত্র ভূমিষ্ঠ হয়েছে, যখন দাদু গল্প পড়ে শোনাতেন। আর সেই ছোট্ট আমি চোখভরা বিস্ময়, নতুন কিছু জানার উৎসাহে শুনতাম, তেমনই এক রূপকথার দিনে জখের ধোনের গল্প প্রথম সুনেছিলম। আজ এত বছর পর আবার পড়েও সেই একই অনুভূতি! হঠাৎই যেনো পৌঁছে গেলাম পূর্ব আফ্রিকার Ujiji-তে।
মনটা ভরে গেলো।
Profile Image for Monowarul ইসলাম).
Author 32 books179 followers
April 29, 2021
বিমল, কুমার আর বাঘা এই তিনজনের অ্যাডভেঞ্চার কাহিনী দারুণ আনন্দ নিয়ে পড়েছি।
যকের ধন পড়ার অনেকদিন পরে বইটা পড়েছি। আসলে জানতাম না আবার যকের ধন নামে বই আছে। পরে একদিন নালন্দায় আড্ডা দিচ্ছি।
হঠাৎ দেখলাম বইটা ওরা ছাপিয়েছে। নিয়ে নিলাম। পড়ে মুগ্ধ।
Profile Image for Arif  Raihan Opu.
218 reviews7 followers
September 18, 2022
বইটি যে সময়ে লেখা হয়েছে সেই অনুযায়ী দারূণ এডভেঞ্চারাস একটি গল্প। বেশ সুন্দর ও গোছানো। এটা নিয়ে বিশদ লিখব। আপাতত মুগ্ধতা থাকুক।
Profile Image for Fårzâñã Täzrē.
286 reviews23 followers
May 27, 2023
প্রথমটার থেকে বেশি ভালো লাগলো না। কিছু কিছু জায়গায় অতিরঞ্জিত লেগেছে। আসলে মনে হয় সবকিছু নিয়ে সিরিজ ভালো লাগে না। তবে বিমল আর কুমারের জুটি আমার বেশ পছন্দের একজন এডভেঞ্চার রহস্যপ্রেমী হিসেবে।🧡
Profile Image for Saikat B.
88 reviews
November 14, 2023
ভালোই, তবে এর থেকে প্রথমটা আরও ভালো। এটাতে অনেক প্লট-হোল আছে!
92 reviews
January 5, 2024
মনে হচ্ছিল চাঁদের পাহাড়ে আবার হারিয়ে যাচ্ছিলাম। আফ্রিকাকে পটভূমি করে লেখা দুর্দান্ত অ্যাডভেঞ্চার। সবদিক দিয়ে মন জিতে নিয়েছিল ছোটবেলায়।
Displaying 1 - 30 of 41 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.