পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ে নির্মল আনন্দ পাওয়ার জন্য এ বইটি। পড়াশোনা বিষয়টাই যেখানে মোটামুটিভাবে কাঠখোট্টা একটা জিনিস হিসেবে বিবেচিত, সেখানে পদার্থবিজ্ঞানের মতো একটা বিষয়ের ওপর লেখা বই কেউ একজন মজা করে পড়ে ফেলবে, শুধু এই বিশ্বাস থেকে একটা বই লিখে ফেলা, একধরনের ধৃষ্টতাই বটে! তার পরও সাহস করে কাজটায় হাত দেওয়া, কেবলই পাঠককে পদার্থবিজ্ঞানের মজার দিকটার সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য। আর ছোটবেলা থেকে কার্টুন আঁকার অভ্যাস কাজে লাগানোরও একটা সুযোগ পাওয়া গেল। যারা বিজ্ঞানের ছাত্রছাত্রী না, তারা যেমন এ বইটি পড়ে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক কিছু বিষয়ের সাথে পরিচিত হবেন, তেমনি যারা পদার্থবিজ্ঞান পড়েন, তারাও পরিচিত বিষয়গুলোর ভিন্ন উপস্থাপনা দেখে মজা পাবেন। এ বইয়ে ব্যবহৃত তথ্য-উপাত্ত, সূত
বইটায় ফিজিক্সের অনেক বিষয় বেশ ইন্ট্রেস্টিংভাবে কমিকের মাধ্যমে বুঝানো হয়েছে।
তবে খুব বেশি গভীরে যাওয়া হয় নি। যারা সাইন্স ব্যাকগ্রাউন্ডের না, Basic Physics এর অনেক কিছু তাদেরও জানা উচিত। ১০০ পৃষ্ঠার এই বই তাদের জন্যে বেশ ভালো একটা অপশন।
স্কুল কলেজ ভার্সিটিতে পদার্থবিজ্ঞানের অনেক বিষয় নিয়ে পড়তে হয়েছে | সেইসব টপিকের কোনটার সাথে কার কিভাবে সম্পর্ক সেটা বুঝতে পারি নাই | আপেক্ষিক পদার্থবিজ্ঞান পড়তে হয়েছে বলেই পড়েছি , একটু অবিশ্বাসও মনে হয় ছিল | রাতুল খানের 'অ পদার্থবিজ্ঞান' পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ের সাথে সম্পর্ক যেমন খুব সহজ ভাবে দেখিয়ে দিয়েছে, তেমনি আপেক্ষিক পদার্থবিজ্ঞান বা কোয়ান্টাম মেকানিক্স নিয়ে অসাধারণ কিছু ধারনা দিয়েছে | সাথে নিউটনের ক্লাসিকাল পদার্থবিজ্ঞান তো আছেই | বইয়ের শেষ অধ্যায়ে ভর সম্পর্কে যা লেখা আছে তা - '' এভাবে তো কোনদিন ভেবে দেখি নি |" ... পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে যাদের আগ্রহ আছে তারা অবশ্যই পড়ে দেখবেন |
বইটার বিষয়ের গভীরতা আরেকটু বাড়ালে মন্দ হত না। তবে, পদার্থবিজ্ঞানের একদম সাধারন ধারণা থেকে কিভাবে অনেক গভীর চিন্তার বিষয়ে চলে আসা যায়, সেটা এই বইয়ে পাওয়া গিয়েছে।
বিশেষ করে চার্জের ব্যাপারটা। চার্জ কি, সেটা ব্যাখ্যা করা খুব সহজ ব্যাপার নয়। কিন্তু কোয়ান্টাম মেকানিক্সের সাহায্য নিয়ে খুব ভালোভাবে একটা ধারণা দেয়া হয়েছে, চার্জের উদ্ভব বিষয়ে।
তবে, ওই একটাই বিষয়, খুব দ্রুত বইটা শেষ হয়ে গেল। আমার পড়তে মাত্র এক ঘণ্টারও কম সময় লেগেছে। বিষয়বস্তুর আরেকটু গভীরে যেয়ে আরেকটা বই লিখলে মন্দ হয় না।
বইটির নাম যেমন মজাদার তেমনি বইটির ভেতরের বিষয়বস্তুকেও লেখক বেশ সুন্দর ভাবেই উপস্থাপন করেছেন।
বইটির সবচেয়ে চমৎকার দিক হল লেখক বইটির শুরুর দিকে সহজ জিনিস দিয়ে শুরু করে ধীরে ধীরে গভীরে গিয়েছেন।
বইটিতে দেয়া মাত্রা নিয়ে ব্যাখ্যা ছিল এক কথায় অসাধারণ। 4D ব্যাপারটিকে লেখক এত সুন্দরভাবে বুঝিয়েছেন যা হয়ত বইটি না পড়লে বলে বুঝানো সম্ভব না।
ম্যাগনাস ইফেক্ট এর বেপারটিকেও এখানে ফুটবল খেলা দিয়ে বুঝানো হয়েছে।
মাটির নিচে গেলে কেন ওজন কমে যায়, তারও একটি সুন্দর ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে। বইটিতে আমার পছন্দের অন্যতম সেরা দিক হল “জোয়ার-ভাটার” ব্যাখ্যা। এছাড়াও আছে চাঁদ কেন মাটিতে পড়ে না। এছাড়াও কয়েকটি সহজভাবে এক্সপেরিমেন্ট দেখা যায় তড়িৎ অংশে।
অন্যান্য অংশের মত আপেক্ষিকতা অংশটিও বেশ সুন্দর ছিল।
তবে এক কথায় বইয়ে আমার সবচেয়ে পছন্দের অংশ হল “ তড়িৎক্ষেত্র থেকে চৌম্বকক্ষেত্র ”। কারণ এটার মধ্যেও লেখক আপেক্ষিকতা দিয়ে ব্যাখ্যা করেছেন যা রীতিমত বিস্ময়কর আমার কাছে। এছাড়াও আছে আলোর চেয়ে বেশি বেগের কাল্পনিক কণা ট্যাকিয়ন এর কথা।
চার্জ এর সংজ্ঞা সম্ভবত এর আগে কোথাও আমি এই বই এর মত পাই নি। এছাড়া ইলেকট্রন ইলেকট্রন কেন বিকর্ষণ করে এই ধরনের বিষয়টি আমার জানার অনেক ইচ্ছে ছিল। যা আমি এই বইটিতে আলহামদুলিল্লাহ্ পেয়েছি।
এছাড়া টানেলিং বেপারটি তো অবাক করার মত করে লেখক সুন্দরভাবে বুঝিয়েছেন।
বইটি আলহামদুলিল্লাহ্ আমার কাছে পদার্থবিজ্ঞানকে জানার জন্য অসাধারণ লেগেছে।
অসংখ্য ধন্যবাদ রাতুল ভাইয়াকে এমন মজায় মজায় কমিকের মাধ্যমে ফিজিক্সের বিষয়গুলো বোঝানোর জন্য।সহজ থেকে কঠিন টপিকের দিকে আগালেও একদম বেসিক জিনিসগুলোই এই বইয়ের আলোচ্য বিষয়।যারা অন্য ব্যাকগ্রাউন্ডের কিন্তু ফিজিক্সে আগ্রহী তাদের জন্য একটা ভালো আর সহজ বই।
বইয়ের টপিকগুলোর নাম- মাত্রা,গতি,বল,মহাকর্ষ,তড়িৎ,আপেক্ষিকতা,একটুখানি কোয়ান্টাম,ভর নিয়ে কিছু কথা।
আরেকটু গভীর আলোচনা আশা করেছিলাম।রেটিং এ ৪ তারাই দিতাম কিন্তু ভাইয়া এত সুন্দর করে টপিকগুলো আলোচনা করেছেন বিশেষ করে মাত্রা, চার্জ আর ভরের ব্যাপারটা!!! তাই ৫ তারা :)
প্রথমেই লেখককে সাধুবাদ জানাই বাংলা ভাষায় এরকম একটি সুন্দর বই উপহার দেয়ার জন্য। সহজ ভাষায় কমিক্সের মতো করে বিজ্ঞান বোঝার জন্য খুবই ভালো বই। বাড়িতে কিশোর বয়সী কেউ থাকলে তাকে কিনে দেয়ার পরামর্শ থাকবে। কিছু বিষয়ে খুব মজার উদাহরণ দেয়া হয়েছে, যেমন আলোর বেগ যদি খুব কম হতো তাহলে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কেমন প্রভাব ফেলতো এটা খুবই মজা করে বলা হয়েছে। তবে ২/১টি জায়গায় বিস্তারিত জানতে ইমেইল করতে বলা হয়েছে, এটা ভালো লাগেনি, বইয়ের শেষে পরিশিষ্টতে এগুলো দিয়ে দেয়া যেত বলে মনে করি। তবে সর্বোপরি আমার কাছে মনে হয়েছে খুবই ভালো বই, আমাদের কিশোর বয়সে এরকম বই ছিলো না দেখে আফসোসও হয়েছে।।
রাতুল হাসান পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে বাংলাদেশে ( ইউটিউবেও বটে) বহুল জনপ্রিয় একটি নাম। তার লেখা অ পদার্থবিজ্ঞান বইটি অনেক চমৎকার একটা বই। এটাই তার কাছে প্রত্যাশা ছিলো এবং কার্যক্ষেত্রেও তেমনটাই ঘটেছে। যারা স্কুল পর্যায়ে পড়াশোনা করছে, তাদের কথা মাথায় রেখেই বইটি লেখা হয়তো। বইটি সেরকম ছাত্রছাত্রীদের ফিজিক্সে আগ্রহী করে তুলতে চমৎকার একটা বই হবে বলেই আমার কাছে মনে হয়েছে। ছোটদের জন্য ফিজিক্সের ওপর এটা একটা ব্যতিক্রমধর্মী, কিন্তু চিত্তাকর্ষক একটা বই। বাংলায় এমন বই আরও বেশি বেশি প্রকাশিত হওয়া দরকার।
স্কুল-কলেজে রসায়নের চেয়ে পদার্থবিজ্ঞানকে কম ভয় পেতাম। এরপর বিজ্ঞানের পাঠ চুকিয়ে সামাজিক বিজ্ঞান পড়েছি। বিজ্ঞানের জ্ঞানে সময়ের প্রবাহে ধূলি জমেছে। বইটার শুরুটা ভালোই লাগছিল। শেষটা অধিকাংশই মাথার উপর দিয়ে উড়ে গেছে। আমারই ব্যার্থতা। লেখককে ধন্যবাদ দিতেই হয় বইটা লেখার জন্য। পরবর্তী প্রজন্মগুলো এমন বই পেলেই আনন্দ নিয়ে বিজ্ঞান পড়বে।
পদার্থবিজ্ঞানকে আমার মতো অনেক সায়েন্স পড়ুয়াই ভয়ের চোখে দেখে�� অ-পদার্থবিজ্ঞানের মতো বই যদি আরও আগে পেতাম, তাহলে ভীতির বদলে ভালোবাসাই বেশি থাকত বিজ্ঞানের এই কাঠকোট্টা শাখাটার প্রতি। লেখককে অনুরোধ করব, এরকম আরো অনেক বই উপহার দেয়ার জন্য। বিজ্ঞানের বই যে আসলেই সুখপাঠ্য ও মজাদার হতে পারে এই বইটি তার জ্বলজ্বলে দৃষ্টান্ত।
পদার্থবিজ্ঞনের কিছু মৌলিক টপিকস কমিকস সহকারে অত্যন্ত চমৎকারভাবে বুঝিয়ে বলেছেন লেখক এই বইতে। এতে মাত্রা থেকে শুরু করে, গতি, তড়ি, বল, থিওরি অব রিলেটিভিট, কোয়ান্টাম মেকানিক্স সবকিছুর হালকা পাতলা বর্ণনা রয়েছে। মোটকথা আমার আছে ভালোই লেগেছে। অনেক নতুন কিছু যেমন জানতে পেরেছি তেমনি অনেক জানা বিষয় সম্পর্কেও ধারনা ক্লিয়ার হয়েছে বইটি পড়ে।
ছোটদের জন্য।ধারুন ভাবে পদার্থ বিজ্ঞানের বিষয় গুলো স্থাপন করেছে।কিছুটা গল্পেজল্পে জেনেটিক এর মত তবে এখানে বিষয় আলাদা।আমি মনে করি সাইন্সের ছাত্ররা বাদেও সবার পড়া উচিৎ।যাতে সবাই বুঝতে পারে পদার্ত বিজ্ঞানের সৌন্দর্য
'অ পদার্থবিজ্ঞান' বইটি পদার্থবিজ্ঞানের সাথে একটি আনন্দময় সময় কাটানোর উপলক্ষ তৈরি করে। যারা পদার্থবিজ্ঞানকে কঠিন মনে করেন বা এই বিষয়ে তাদের আগ্রহ কম, তাদের জন্য বইটি বিশেষভাবে কার্যকর হতে পারে।
অ পদার্থবিজ্ঞানআজকের বইটির নামটা শুনে মনে হতেই পারে, "অপদার্থবিজ্ঞান"! সেটা আবার কি! আমরাই তো জানি খাঁটি বাংলা উপসর্গ ‘অ’ কারো সামনে বসলে সাধারনত বিপরীত অর্থই বোঝায়! আসলে "অ-পদার্থবিজ্ঞান" সেরকম বিপরীত কিছু নয়, এই বই মূলত পদার্থবিজ্ঞান শুরু করার জন্য বই। যেখানে রয়েছে পদার্থবিজ্ঞানের প্রাইমারি জ্ঞান। আরো সহজে বললে,বইটি ABC of Physics! ইউটিউবে বইটির রিভিউ দেখুন এখানে👉🏻https://youtu.be/OnwymqB_Me8?si=fFHop... এখানে কার্টুন আর ছবিতে খুব সহজে পদার্থবিজ্ঞানের প্রাথমিক স্তরের জটিল বিষয়গুলো বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে। যারা বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র-ছাত্রী না, তারাও যেমন বইটা পড়ে পদার্থবিজ্ঞানের মূল বিষয়গুলো বুঝতে পারবে, তেমনি যারা পদার্থবিজ্ঞান পড়ে, তারাও বিষয়গুলোর ভিন্নধর্মী উপস্থাপনা দেখে মজা পাবে। নিছক মজা পাওয়ার জন্য পড়তে শুরু করলেও অজান্তেই প্রকৃতির তথা ফিজিক্সের অনেক গূঢ় বিষয় মাথায় ঢুকে যাবে! মোটকথা, পদার্থবিজ্ঞানের সাথে আনন্দময় কিছুটা সময় কাটানোর উপলক্ষ তৈরি করে দেবে বইটি।
☘️যেমন ০ নামের অধ্যায়টি মাত্রা নিয়ে- এখানে লেখক ব্যাখ্যা ও ছবির মাধ্যমে গল্পে গল্পে একটি পিঁপড়ার চলার পথকে একমাত্রিক থেকে দ্বিমাত্রিক,তারপর ত্রিমাত্রিক এবং সবশেষে চতুর্মাত্রিক গতি মানে 1Dimension থেকে 4Dimension পর্যন্ত দেখিয়েছেন এবং বিভিন্ন তলের পরিবর্তন করে সেটার ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। এমনকি কোনো বিন্দুর কেনো কোনো মাত্রা নেই তাও মজার ছলে ব্যখ্যা করেছেন! ☘️গতির অধ্যায়ে আছে- গতি,স্থিতি,সরণ,দ্রুতি,সমদ্রুতি,ত্বরণ,দূরত্ব এমনকি কেন্দ্রমুখী ত্বরণসহ পদার্থবিজ্ঞানের এসব বেসিক টপিকগুলো গল্পের ছলে গ্রাফ,ছবি এমনকি মজার গাণিতিক ব্যাখ্যার মাধ্যমে এসব খুটিনাটি বিষয়গুলোকে পাঠকের কাছে সহজবোধ্য করে তোলা হয়েছে। ☘️বল'র অধ্যায়েও নিউটনের যে গতিসূত্রগুলো রয়েছে সেগুলোর অত্যন্ত প্রাঞ্জল ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে কচ্ছপ, হাতি কিংবা ফুটবলের বিভিন্ন ঘটনার উদাহরণ দিয়ে। আরো পাবেন- নিউক্লীয় বল,তড়িতচুম্বকীয় বল,মহাকর্ষ বল ও কাল্পনিক বলের ধারণা। ☘️তবে বইটির মহাকর্ষ অধ্যায় পড়লে আপনি বইটির ওজন ভালোভাবেই বুঝতে পারবেন, ইনফ্যাক্ট ৩য় অধ্যায় থেকে পরবর্তী অধ্যায়গুলো পড়লে আপনার মনে হবে বইটি সত্যিই খুব কাজের, পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে এমন একটা বই ই আপনি মনেমনে চেয়েছিলেন! ☘️প্রতিটি অধ্যায়ে ফিজিক্সের ছোট ছোট অনেক প্রজেক্ট বা এক্সপেরিমেন্ট রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে প্রাথমিক লেভেলের পদার্থবিজ্ঞানের জটিল বিষয়গুলোকে শিক্ষার্থীদের নিকট সহজবোধ্য করে তোলা হয়েছে। বইটিতে থাকা অধ্যায় সমূহ হলো- ০। মাত্রা ৪। তড়িৎ ১। গতি ৫। আপেক্ষিকতা ২। বল ৬। একটুখানি কোয়ান্টাম ৩। মহাকর্ষ ৭। ভর নিয়ে কিছু কথা সবশেষে এটা লিখে শেষ করতে পারি- বর্তমানে যারা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়তেছে কিংবা ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণিতে পড়ুয়া শিক্ষার্থী এবং বিজ্ঞানপ্রিয় মানুষের জন্য বইটা সত্যিই অনেক কাজের। যে বিজ্ঞান সম্পর্কে ধারণা রাখেনা সেও বইটির সাবলীল ব্যাখ্যার কারণে পদার্থবিজ্ঞানকে নিয়ে ২য়বার ভাবার সুযোগ পাবে বলে আমার বিশ্বাস।
যদি ভুল না করি তবে বইটির প্রচ্ছদে গ্যালিলিওর পড়ন্ত বস্তুর সূত্র নিয়ে একটা এক্সপেরিমেন্ট থিম দেওয়া হয়েছে যেখানে থিওরি অব রিলেটিভিটি অবজারভেশনে আছেন মহাবিজ্ঞানী আইনস্টাইন। আমার টা সঠিক নাও হতে পারে, আমারটা ভুল হলে সঠিক কি হবে তা অনুগ্রহ করে কমেন্টে জানাবেন। বইয়ের নাম: অপদার্থবিজ্ঞান লেখক: রাতুল খান প্রকাশনী: আদর্শ প্রাপ্তিস্থান: রকমারি.কম ও অন্যান্য বুকশপ। উপযোগী: মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য।অ পদার্থবিজ্ঞানরাতুল খান