নলিনী দাশ
যার পরিচয় পর্বের ঘনঘটা এতটাই গভীর আর শক্তপোক্ত যে রায় পরিবারের নামের মোড়কে পূন্যলতা দেবীর তনয়া পরিচয়ের তরু হিসেবে তাকে পরগাছা না করে,সুকুমার সত্যজিৎ উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর মতো বিশাল মহীরুহদের আড়ালের অতলান্তে না হারিয়ে বরং মাতুলালয়ের ;স্বভাবসুলভ সরস সুন্দর সুললিত সৌষ্ঠব সৌন্দর্যের গুনগুলো সহজাত প্রবৃত্তি হিসেবে প্রকৃতি দেবীর কাছ থেকে বরদান রূপে পেয়েছেন।
তার লেখনীর শব্দগুলো ইউ রায় এ্যান্ড সন্সের সাথে আশেপাশের সব মানুষকে নিয়ে শৈশবস্মৃতির যে রোমন্থন করেছেন তা শুধু বইয়ের পাতায় শব্দবদ্ধ কয়েকটা কালির আঁচড়ে বন্দী না থেকে সৌরভ ছড়িয়ে দিয়েছে সাধারণ পাঠকের বাস্তবের পাট পেরিয়ে মনের চৌকাঠে এক দৃঢ় অথচ মধুর আসনে।
গল্পের নামে মনে হবে এ শুধু মাত্র "তাতা"ওরফে সুকুমারের সুযোগ্য সুপুত্র সুকুমারের সুকীর্তী নিয়ে সবটা লেখা, কিন্তু পড়ার পরেই এই ভ্রম সমীকরণে শুদ্ধতা আসে।
এ গল্প শব্দ শুধু মানিকের জন্য বরাদ্দ নহে,পুরো রায় পরিবারের প্রতিটি সদস্যের যথাসম্ভব বিস্তারে বর্ননা না পেলে ও ভালো লেগে ভালোবাসার উপাদানে ভরপুর শুরু থেকে শেষ অবধি।
আক্ষেপ শুধু একটাই পাঁচটি তারা পাওয়ার মতো এ স্মৃতিকথায় একই কথা বারবারে প্রতি পাতায় ফিরে আসার জন্য পুনরাবৃত্তি বাহুল্য দোষে দোষী মেনে একটি তারা শূন্য রেখে রিভিউ খানি এখনকার মতো সমাপ্তির পথে পাঠিয়ে দিলুম।
রেটিং:🌠🌠🌠🌠
11/05/2021